আজ ১৫ই ডিসেম্বর ২০১৭, ১লা পৌষ ১৪২৪, ২৮শে রবিউল-আউয়াল ১৪৩৯

একজন নাসিমুল গনি খান…

মে ৯, ২০১৭

জিয়া উদ্দিন বাবলুঃ ১৯৭১ সালের মাঝামাঝি সময়ে বুড়ি গঙ্গার মোহনায় রাজধানীর পুরাতন ঢাকার সূত্রাপুরে নাসিমুল গনি খান নামের একটি বিস্ময় বালকের জন্ম হয়…..

০২ রা মে ১৯৭১ সালের রাজধানীর পুরাতন ঢাকার সূত্রাপুরে ৫২ নং সুকলাল দাস লেন ঢাকা ১১০০ বর্তমান ৪৩ নং ওয়ার্ড ও (সাবেক ৭৯) নং ওয়ার্ডে একটা সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন – নাসিমুল গনি খান,

তিনি মরহুম আবু সাঈদ খান সাহেব ও মাতা নুরুন্নাহার খানম এর কনিষ্ঠ সন্তান, চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট ছোট
এছাড়া ও পারিবারিক জীবনে রয়েছেন স্ত্রী – আঁখি বেগম , এবং একটি কন্যা সন্তানের জনক তিনি,
কন্যা – নাহিদা খান স্নিগ্ধা – রাজধানীর একটি স্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে পড়ে, সেই সাথে “জিয়া শিশু কিশোর মেলা” সংগঠনের সদস্য ,”জিয়া শিশু কিশোর মেলা” থেকে কয়েকটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করে মেডেল ও ছোটদের জিয়া নামক বই পুরস্কার পেয়েছে উনার মেয়ে ।

নাসিমুল গনি খান এর বড় ভাই ইন্ডিয়ান তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা- অর্থাৎ ইন্ডিয়া থেকে ট্রেনিং নিয়ে এসে তিনি স্বাধীনতাকামী সমগ্র বাঙালির সাথে একসাথ হয়ে মাতৃভূমি রক্ষার জন্য যুদ্ধ করেছেন… উনার আরেক জন ভাই ওয়ার্ড সচিব..এর দায়িত্ব পালন করেছেন,

১৯৮৬ সালে রাজধানীর কে, এল, জুবলী হাই স্কুল থেকে নাসিমুল গনি খান মেট্রিক পাশ করেন এবং ১৯৮৮ সালে ঢাকা সিটি কলেজ থেকে এইছ, এস, সি এবং ১৯৯০ সালে ঢাকা মডেল কলেজ থেকে তিনি বি কম (ডিগ্রী) পাশ করেন,

স্কুল জীবন ও কলেজ জীবনে ( উচ্চ মাধ্যমিক ) ছাত্র থাকাকালীন প্রাথমিক ভাবে তিনি কোন রাজনৈতিক সংগঠনে যোগদান করেন নি তখন নাসিমুল গনি খান একজন নম্র ভদ্র ও ভালো ছেলে হিসেবে সূত্রাপুরে পরিচিত ছিলেন,

১৯৮১-৯০ যখন স্বৈরাচার এরশাদ যখন দেশ শাসন করে সমগ্র জাতি তখন স্বৈরাচার পতন আন্দোলন অনবরত চালিয়ে যাচ্ছে ঠিক তখনি ১৯৮৮ সালের শেষের দিকে ও ১৯৮৯ সালের প্রথমেই তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম স্যারের আদর্শের সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি অর্থাৎ সরাসরি মূল দলে একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন,

৮৮/৮৯/৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী সর্বদলীয় ঐক্য আন্দোলনে রাজপথের সব কটি আন্দোলন সংগ্রামে মিছিল মিটিংএ প্রতক্ষ্য ভাবে অংশগ্রহণ করেন নাসিমুল গনি খান, সবচেয়ে মজার বিষয় হল-
যে দিন বর্তমানে মহাজোটের মহাশরিক মহা-চোর এরশাদ পতন হচ্ছে ঐ দিন অর্থাৎ
এরশাদ পতনের দিন.. নাসিমুল গনি খান উনারা ৫টা ছেলে ( বন্ধু) শয়তানি দুস্টমি করতে করতে সূত্রাপুরে মিছিল করে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে….. .. কিন্তু
সেই মিছিল শেষ হয়েছে প্রায় ১৮ থেকে ২০,০০০ মানুষের অংশগ্রহনে…মাধ্যমে,

১৯৮৯ থেকে ৯৬ পর্যন্ত তিনি শুধু মাত্র শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক হিসেবে একজন সাধারন হিসাবে কাজ করে গেছেন,

১৯৯৭ সালে তিনি নিজ যোগ্যতা সর্ব প্রথম দলীয় পদবী পান সুত্রাপুর থানাস্থ – ৭৯ নং ওয়ার্ড ( বর্তমান-৪৩ নং) বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হন , বিএনপি তখন বিরোধী দলে!, রাজধানীর সূত্রাপুরে ও পার্শ্ববর্তী কোতোয়ালি থানায় এমন কোন মিছিল মিটিং প্রোগ্রাম ছিল না যেখানে নাসিমুল গনি খান উপস্থিত ছিল না …

৯৭-৯৮ তৎকালীন সময়ে বিএনপি বিরোধী দল থাকাকালীন সময়ে
সব কয়টা রোড মার্চ, লং মার্চ ও দেশনেত্রীর গাড়ি বহরের সাথে অনেক জাগায় গিয়েছেন, এবং ৯৮ লংমার্চ এ বিএনপির ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ছিলেন নাসিমুল গনি খান,

বিএনপি বিরোধী দলের সময় (১৯৯৬-২০০১) – ৪ দিন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গার্ড হিসাবে ছিলেন গনি ভাই … এছাড়া সেই সময় ঢাকা সিটিতে যতগুলি মহা সমাবেশ হয়েছিলো সেই গুলির নিরাপত্তা ও মঞ্চের দায়িত্ব পালন করতেন …

৯৬-২০০১ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে মোটামুটি সব মিছিল, মিটিং , মশাল মিছিল এবং হরতালে নাসিমুল গনি খান এর উপস্থিতি ছিলো সরব এবং চোখে পড়ার মত…।।
সেই সময় হরতালে দিনে ৩ /৪ টা স্পট এ ( সকাল ৮টায় মতিঝিল, ১১ টায় সুত্রাপুর কোতোয়ালী, বিকাল ৩টায় পল্টন-প্রেস ক্লাব) স্থানে অনেক দিন দুপুর বেলা খেয়ে না খেয়ে ও মিছিল করতেন রাজপথের আকুতোবয় নেতা জাতীয়তাবাদী বীর শহীদ জিয়ার সোনালী সন্তান নাসিমুল গনি খান নামের মেধাবী সংগঠক,

আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকার জন্য ২০০০ সালে ঢাকা মহানগর বিএনপির কার্যকরী সদস্য হিসেবে মনোনীত হন নাসিমুল গনি খান,

রাজনীতির বাইরে ও নিজ এলাকায় সামাজিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নাসিমুল গনি খান এর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে, তিনি রাজধানীর সূত্রাপুরের রুপলাল দাস লেন চামার পট্টি এলাকায় অসহায় দরিদ্র শিশুদের মাঝে একাধিক বার নিজ উদ্যোগে ব্যক্তিগত তহবিল হতে ঈদের নতুন পোষাক বিতরণ করেন, সুবিধা বঞ্চিত ও সাধারণ মানুষের বিশ্বস্ত এই বন্ধু, এছাড়া ও
ক্রীড়াঙ্গনে
ফরাশগঞ্জ স্পোটিং ক্লাব ও কাগজীটোলা সোশাল ক্লাবের সদস্য … এর বাইরে ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত আছেন, নাসিমুল গনি খান। …

সূত্রাপুর ও কোতোয়ালীতে নিজের ব্যক্তিগত ইমেজ এবং জনপ্রিয়ত শীর্ষে থাকা এ ব্যক্তি – ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ (বর্তমান- ঢাকা- ৬) (সুত্রাপুর- কোতোয়ালী) আসনে সংসদ সদস্য (এম পি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

অস্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রানের সংগঠন বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের পর
পরবর্তী সময়ে রাজধানীর সূত্রাপুর ও কোতোয়ালী থানার বাইরে ও ঢাকা সিটি দক্ষিণে ও নিজের সাংগঠনিক দক্ষতা বিস্তারের মাধ্যমে নিজের যোগ্যতার পরিচয়ের সমগ্র জাতীয়তাবাদী পরিবারের কাছে আবারো জানান দেন মহানগর বিএনপির কার্যকরী সদস্য নাসিমুল গনি খান,

এছাড়া ও মহানগর বিএনপি সাবেক সভাপতি সাদেক হোসেন খোকা ভাইয়ের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা … ঢাকা ৬ আসনের নির্বাচন পরিচালনা করেন নাসিমুল গনি খান,

ওয়ান ইলেভেন মত বিএনপির দু:সময়ে ও কখনো ঘরে বসে থাকেন নি জাতীয়তাবাদী বিশ্বস্ত এই বন্ধু নিজের যোগ্যতা ও মেধা সামর্থ্য অনুযায়ী আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন বুড়ি গঙ্গার তীরে ঘেষে থাকা সূত্রাপুরের এই জাতীয়তাবাদী শহীদ জিয়ার সোনালী সন্তান,

ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী সময়ে যখন এদেশে চক্রান্তের মাধ্যমে আওয়ামীলীগ ক্ষমতা গ্রহণ করে এর পরবর্তীতে বিএনপি ঘোষিত সকল হরলাল আন্দোলনে রাজপথের সাদেক হোসেন খোকার সাথে প্রথম সারিতে থেকেই ঢাকা সিটির মতিঝিল সূত্রাপুর কোতোয়ালী প্রেস ক্লাব এবং এর আশেপাশে সকল কর্মসূচি পালন ও সফল করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এই জাতীয়তাবাদী বীর যোদ্ধা,

৪০০ বছরের প্রাচীন নগরী ঐতিহ্যবাহী ঢাকা সিটি কর্পোরেশন কে যখন জালিম সরকার অসৎ উদ্দেশ্য বিভক্ত করে ভেঙ্গে দুই টুকরো করে দেয় তখন বিএনপি ঘোষিত হরতাল পালনের সময় সাদেক হোসেন খোকাকে যখন গুলি করে মাথা দিয়ে রক্ত ঝরানো হয় এবং জজ কোটের সামনে ছুরি মারা হয় সেই ২ দিনই খোকা ভাইয়ের সাথে মিছিলে ছিলেন তার বিশ্বস্ত এই মানুষ…

এবং মাঠের সক্রিয় রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে ও অনলাইনে ফেসবুকে দু:সময়ে বিএনপির জন্য লেখা লেখি করে সমগ্র জাতীয়তাবাদী পরিবারের কাছে আলাদা পরিচয়ে হাজির হন ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এর সাবেক মেয়র (সাদেক হোসেন খোকার) বিশ্বস্ত নাসিমুল গনি খান নামের
এই নিরেট মাটির মানুষটি,

জিয়া সাইবার ফোর্স … গত দুই বছর আগে সারা পৃথিবিতে ২০ জন অনলাইন যোদ্ধা পুরস্কার দিয়েছে … তিনি ও সেই পুরস্কার প্রাপ্ত ২০ জনের মধ্যে একজন গর্বিত ব্যাক্তি, নাসিমুল গনি খান এর ক্যাটাগরী ছিলো – অনলাইন ও রাজপথ … দুটোতেই, সাধারণ ভাষায় বলা যায় অলরাউন্ডার গনি,

আগামীর রাস্ট্র নায়ক
তারেক রহমানের বক্তব্য নিয়ে একটি বই সংকলন করেছেন গনি ভাই যার নাম –
“আমার চিন্তা চেতনা, ভাবনা পরিকল্পনার সবকিছুর আবর্তন বাংলাদেশ,বাংলাদেশের জনগন ও চলমান আন্দোলনকে ঘিরে —-তারেক রহমান ‘”

এছাড়া ও এছাড়া জাসাস ঢাকা মহানগর দক্ষিনে গানের সিডি ” মা কাঁদছে স্বাধীনতা ” থেকে ৩ টি গান ভিডিও এডিটিং করেছেন উনি যা অনেক জনপ্রিয়তা পায় .বিএনপি ও জিয়া প্রেমিক সকল .জাতীয়তাবাদী পরিবারের কাছে, .

সাদেক হোসেন খোকার সাথে থেকে ঢাকা সিটির মধ্যে অবৈধ সরকারের বাহিনীর হাতে খুন পঙ্গু হওয়া নেতা কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি
এবং এছাড়া ও বিগত অবৈধ সরকার বিরোধী বিএনপি ঘোষিত গনতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে নিহত আহত পঙ্গু নেতা কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে চার বছর আগে প্রতিষ্ঠা হওয়া বিএনপির সেচ্ছা সেবী সংগঠন “” জাতীয়তাবাদী হেল্প সেল ” এর তিনি একজন গর্বিত সিনিয়র সদস্য।

এছাড়া কুমিল্লার মেয়ে সোহাগী জাহান তনু কে নির্মম ভাবে ধর্ষন ও হত্যার প্রতিবাদের বিচারের দাবিতে এবং রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রতিবাদ সহ দেশ বিরোধী চুক্তির প্রতিবাদী আন্দোলনে ও অন্যান্য সামাজিক গনতান্ত্রিক আন্দোলনে ও নাসিমুল গনি খান এর উপস্থিতি সরব ও চোখে পড়ার মত।

২০১৫ সালে ঢাকা সিটি মেয়র নির্বাচনে – বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের পক্ষে ৩৭, ৪৩,৪৫ ও ৫২ নং ওয়ার্ডে ব্যাপক গনসংযোগ করা হয় নাসিমুল গনি খান এর নেতৃত্বে … যা অনলাইন ও বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে.,

সবচেয়ে আশ্চর্যজনক হলে ও সত্য মার্চ – ২০১৫ দেশনেত্রী যখন গুলশান অফিসে বন্ধি তখন ঢাকা সিটিতে মাত্র ২ টা মিছিল হয়েছিলো … যার একটি হয়েছিল গনি ভাই এর নেতৃত্বে – যা অনলাইন ও বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো…
রাজধানীর দয়াগঞ্জে বিএনপির আন্দোলন সংগ্রাম কমিটির পক্ষ থেকে নাসিমুল গনি খান এর নেতৃত্বে হরতালের সমর্থনে একটি মিছিল হয়। মিছিল থেকে বেশ কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এসময় হরতাল সমর্থকেরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাংচুড় করে গনি ভাই এর নেতৃত্বে,

রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামের পাশাপাশি অনলাইনে যেমন উনার ব্যাপক পরিচিতি এবং বিস্তৃত রয়েছে এর বাইরে ও দলীয় বিএনপির সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করতেছেন নাসিমুল গনি খান, তিনি
বিশেষ সম্পাদক জাসাস, ঢাকা মহানগর দক্ষিন এর দায়িত্বে আছে,এবং
সভাপতি, সুত্রাপুর থানা জাসাস
দপ্তর সম্পাদক , জিয়া শিশু কিশোর মেলা কেন্দ্রীয় সংসদ
দপ্তর সম্পাদক – জেড ফোর্স কেন্দ্রীয় সংসদ এর দায়িত্ব পালন করতেছেন বর্তমানে,

১৯৮৯ থেকে এই পর্যন্ত ২৯ বছরের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ৩৬ টা মিথ্যা মামলার স্বীকার হয়েছেন… গাড়ী পোড়ানো, ভাঙচুর, রিকসা পোড়ানো সহ হরতালের মামলা সহ সব ধরনের মিথ্যা মামলার স্বীকার হন তিনি, … অনেকবার থানায় গ্রেফতার করে নিয়ে টর্চার করা হয়েছে উনার প্রতি ,

অনেকবার পুলিশের মার খেয়েছেন, টিয়ার গ্যাস, পুলিশের ছিটা গুলি চরক গুলি ও লেগেছে আন্দোলন করতে গিয়ে উনার গায়ে,

নাসিমুল গনি খান তৃনমুল থেকে উঠে এসেছেন -৮৯ সালে শহীদ জিয়ার আদর্শের সংগঠনের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে দলে যোগ দিয়ে দলীয় কাজ পোস্টার লাগানো, ব্যানার লাগানো, দেয়াল লিখন মানে চিকা মারা… এমন কোন কাজ নাই যা দলের জন্য তিনি করের নাই….
রাজনীতি করে সব কিছু শেষ করে দিয়ে … এখন তিনি নিঃস্ব অবস্থায় আছেন,,
নি:সার্থ ভাবে এখনও প্রানের সংগঠন বিএনপি কে ভালোবেসে যাচ্ছেন ব্যতিক্রম জিয়া প্রেমিক বিএনপি প্রেমিক আমাদের প্রিয় নাসিমুল গনি খান ভাই,

আজকে ৬ মে..২০১৭, গত চার দিন আগে ২রা মে নাসিমুল গনি খান নামের এই শতভাগ বিএনপি প্রেমিক মানুষটির জন্মদিন ছিল, আমার খুব ইচ্ছা ছিল উনার জন্মদিন উপলক্ষে একটা ফেসবুক পোস্ট দেওয়া যেন সমগ্র জাতীয়তাবাদী পরিবারের সবাই জানতে পারে এই দলে কেমন শহীদ জিয়ার আদর্শের এই দলে ২২ কেরেট স্বর্নের মত খাঁটি দল প্রেমিক লোক আছে,

সংবাদটি পড়া হয়েছে ৩৭৯ বার

( বি: দ্র: প্রবাস নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম -এ প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও, কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। কপিরাইট © সকল সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত প্রবাস নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম )

আপনার ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করে মতামত প্রদান করতে পারেনঃ

x
সর্বশেষ