আজ ১৮ই ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ৬ই ফাল্গুন ১৪২৪, ৩রা জমাদিউস-সানি ১৪৩৯

লাইট, ক্যামেরা, এ্যাকশন

নভেম্বর ১৮, ২০১৭

প্রতিটি সংস্থার একটি লুকানো উদ্দেশ্য থাকে। এই সংস্থাটি প্রতিষ্টিত করার যে কারণ লোকের সামনে তুলে ধরে, যে উদেশ্য বর্ণনা করে তার সাথে মূল উদ্দেশ্যর কোন মিল থাকতেও পারে নাও থাকতে পারে।  জাতীসংঘ প্রতিষ্টা করা হয়েছিল মুলত এই সংস্থাটিকে যারা প্রতিষ্টিত করেছিল অর্থাৎ একদল পুঁজিপতিদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য। এখনো জাতিসংঘ সেটাই করে যাচ্ছে। জাতীসংঘ বহুজাতিক পুঁজিপতিদের জন্য একটি গোপাল্ভাড় । সুতারাং যারা জাতীসংঘ কি বললো আর কি করলো এই নিয়ে আলোচনা করে তারা শুধু শুধু সময় নষ্ট করে।

“স্বাধীন বাংলাদেশ” একটি ভুয়া ধারণা।  প্রপোগান্ডার মাধ্যমে এই ভুয়া ধারণাটি পূর্ব বাংলার মানুষের মগজে পোত্থিত করে সেসময়ে যখন এক বিদেশী শক্তির হাত থেকে অন্য আর একটি বিদেশী শক্তির হাতে পূর্ব বাংলার নিয়ন্ত্রন হস্তান্তর করা হয়।

দুই বিদেশী শক্তিই অবাক বিস্ময়ে পূর্ব বাংলার মুক্তিযুদ্ধ দেখেছিল।
সেই একটি মাত্র কারণেই নতুন শক্তির সর্ব প্রধান কাজ ছিল পূর্ব বাংলা থেকে দেশপ্রেমিক নির্মুল করা। দুঃখজনক হলেও সত্য যে এই প্রথম পদক্ষেপ ১০০% সফল হবার ফলে বাংলাদেশে আবার একটি স্বাধীনতা যুদ্ধ হবার  সম্ভাবনা ০.০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০১।
দ্বিতীয় পদক্ষেপ ছিল মেরুদ্বন্ডহীন নতুন প্রজন্ম। তাও সফল হয়েছে।
তৃতীয় পদক্ষেপ ছিল পূর্ব বাংলাতে একটি চোর ডাকাত খুনী ধর্ষক ও দুর্নীতিবাজ ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা গঠন করা। যারা আজীবন দাসত্ব করবে আর নিজেরা নিজেদের মাংস ছিড়ে খুঁড়ে খাবে। সেটাও সফল হয়েছে।
বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। একে অন্যের মাংশ ছিড়ে খাচ্ছে সবাই। যে যেমন সুযোগ পাচ্ছে অন্যের ক্ষতি করে টিকে আছে। সব  ভাল কাজ সব ভাল উদ্দেশ্য ব্যহত হচ্ছে। ভালরা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। খারাপেরা টিকে যাচ্ছে। খারাপেরা নানা রকমের রঙবেরঙের মুখোশ পরিধান করে ভাল ভাল নাটক করছে। বাংলাদেশে একটি জাহান্নাম হয়ে গেছে।

রোহিঙ্গা নিয়ে বাংলাদেশে ভারতের রাজ্যসরকার তামাশা সুরু করেছে। জাতিসংঘ চায় রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে থাকুক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত ও বহুজাতিক তেল ও খনিজ সম্পদ কোম্পানীরা চায় রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে থাকুক। বাংলাদেশে ভারতের রাজ্যসরকার যতদিন এই সিগন্যাল পায়নি ততদিন নাফ নদীতে বিজিবি বন্দুক উঁচিয়ে পাহাড়া দিয়েছে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়নি। জাতিসংঘ যখন সিগন্যাল দিয়েছে তখনই রোহিঙ্গাদের ঢুকতে দেওয়া হয়েছে।
সবই ড্রামা।
যাত্রা করে ফাত্রারা
রোহিঙ্গা গনহত্যা চলছে বহু যুগ ধরে। সবাই সব কিছু জানে। সবাই সব কিছু বুঝে । সবাই এখন ড্রামা করছে। সাজানো নাটকে অংশ নিয়ে বাংলাদেশে ভারতের রাজ্য সরকার ড্রামা করে বলছে “রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নাও”
আমি খাড়াই যামু আপনে  বসাই দিবেন
খেল খতম ড্রামা হজম!

ভারত বাংলাদেশের পাশে নাই – এই আজাইরা সংলাপে সংলাপে ফেসবুকে সয়লাব হয়ে গেল। এটাই কাম্য ছিল বাংলাদেশে ভারতের রাজ্যসরকারের  ।
আশা পূর্ন হয়েছে। ড্রামা সফল হয়েছে। এখন যার যার বাসায় যান।
ভারতই বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ ই ভারতের অংগরাজ্য ।
ভারতই খায় বাংলাদেশকে আর বাংলাদেশের জনগণ গোলামী করে ভারতের।

আয়শা মেহের
সম্পাদিকা
প্রবাসনিউজ২৪
টরেন্টো, কানাডা।

সংবাদটি পড়া হয়েছে ১৪৬ বার

( বি: দ্র: প্রবাস নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম -এ প্রকাশিত প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, রেখাচিত্র, ভিডিও, অডিও, কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। কপিরাইট © সকল সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত প্রবাস নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম )

আপনার ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করে মতামত প্রদান করতে পারেনঃ

x
সর্বশেষ